মালদা

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীকে অপহরণ করে দেহ ব্যবসায় নামানোর অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

অবশেষে দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রীর বুদ্ধির কাছে হার মানল অপহরণকারী প্রেমিক। জানা যায়, গত মাসের ১৯ তারিখ থেকে নিখোঁজ ছিল কালিয়াচক থানার আলিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নবী নগর চামা গ্রামের এক দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রী তথা চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। বিস্তর খোঁজ করা হলেও তার কোন হদিশ পাওয়া যায়নি। যদিও ছাত্রীর কথায়, প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কালিয়াচকের জালালপুর নূর নগরের বাসীন্দা রহমান মোমিনের হাত ধরে বাড়ি থেকে বেড় হয়ে যায়। এরপর তাকে প্রথমে মালদা, তারপর বালুরঘাট ও সেখান থেকে আসামে নিয়ে যায় রহমান। অভিযোগ সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে জোর করে দেহ ব্যবসায় নামায় অভিযুক্ত প্রেমিক। সেখানকার বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। অন্যায় ভাবে কাজ করানো হত বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় দেহ ব্যবসা করতে না চাইলে চলতো শারীরিক অকথ্য অত্যাচার। কিন্তু বিয়ে করতে বললে টাকা নেই এমন অজুহাত দেখাত রহমান মোমিন। তাই সে বুদ্ধি করে রহমানকে জমি, জায়গা ও টাকা দিবে পরিবারের লোক - এমনটা জানায়। যার ফলে রহমান তাকে নিয়ে বাড়ি ফেরে। আর বাড়ি ফিরতেই মঙ্গলবার বিকেলে রহমানকে ঘিড়ে ধরেন গ্রামবাসীরা। খবর দেওয়া হয় থানায়। পরে কালিয়াচক থানার পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। ও বুধবার অভিযুক্তকে মালদা জেলা আদালতে ও ওই ছাত্রীকে মেডিক্যালের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

        এই ঘটনায়  গ্রামবাসী প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি সহ ছাত্রীটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য আবেদন জানান। 

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে

https://www.youtube.com/embed/L_f4uC0qPiY